যে কোনো সময় লেখা পোস্ট করা যায় । লিঙ্ক - https://webtostory.com/to-post-the-text/

“জীবনের পান্থশালা” - অনন্যা মিত্র

 

story and article

কনকের জীবনের অনেক টা জায়গা জুড়ে রয়ে গেছে প্রীতম মজুমদার। তার মন ভোলানো কথায় নারী হৃদয় দোলা লাগা স্বাভাবিক। যেন মনে হয় জীবনকে সুন্দর করে তুলতে প্রীতমএর চেয়ে ভালো আর কেউ কোথাও নেই। কনক তাই নিজেকে প্রায় সকলেই দিয়ে বসে আছে প্রীতম এর কাছে।

তাই যখন তার বিবাহের স্থির করা হয়, কনক কিছুতেই মানতে পারেনা। সে স্থির করে বিবাহের দিন প্রীতমের কাছে চলে যাবে। এবং অবশেষে সেটাই করে। কিন্তু বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউই বোধহয় শান্তি পায় না, উম্মত্ত অবস্থায় অন্য নারীর সঙ্গে দেখে পাগলপ্রায় কনক বাড়িতে ফিরে আসে। ততক্ষণে বাড়ি হই হট্টগোল ,নিখোঁজ পাত্রী। অবশেষে কোনক্রমে বিবাহ সম্পন্ন হয়। কিন্তু কনকের মানসিক অবস্থা এতই খারাপ হয়ে যায় যে সে প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়ে। ছি ছি রব উঠতে কতক্ষন?…

অসুস্থ কনক শ্বশুড়বাড়ি যেতে নারাজ। অপমানিত স্বামী ও তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন কনক কে ফেলে রেখে যেতে বাধ্য হয়। শুধু যাবার আগে মামাশ্বশুর রতনলাল চট্টোপাধ্যায় সামান্য কিছু গয়না কনকের উদ্দেশ্যে আশীর্বাদ স্বরুপ দিয়ে যান।

কোনভাবে কিছুকেই কনক কে কেউ মেনে নিতে পারে না নিজের বাড়িতে কনক একাকীত্বে ভুগতে থাকে। বাবা মানবেন্দ্র দত্ত কিছুতেই মেয়ের বেয়াদপি মানতে পারেননি,কথা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন। যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে মহিলা মহলের মুখরোচক পদ”কনক”।

এই দম বন্ধ করা পরিবেশ এ কনক হাপিয়ে উঠতে থাকে, আর সেদিনের ভুল তাকে চিরজীবন বহন করতে হবে ,বিশ্বাস ,ভালোবাসার কি এই জগতে কি কোনো দাম নেই??

অবশেষে বোনের বিয়ের দেখা শোনা শুরু হতে চলেছে সকলের বাঁকা কথা কনককে নিয়ে। অসহ্য হয়ে অবশেষে বেরিয়ে পড়ে কনক।কোথায় যাবে কি করবে সে জানেনা চোখ জলে ভেসে যায়,ফিরে পেতে চায় তার স্বামীকে।।

ক্রমশ….

#storyandarticle


Post a Comment